মেঘ বলেছে..যাবো..যাবো..

আমি আর হাঁটতে পারছি না। সীমাহীন ক্লান্তিতে অবসন্ন হয়ে পড়ছে আমার পদযুগল। কল্পনার সাথে বাস্তবের বৈরীতা- আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গে পরিণত হচ্ছে। দিনের পর দিন, আমার স্বপ্নগুলো ডালপালা মেলার আগেই ঝরে পড়ে অবহেলার কষ্টনীল আঙিনায়। আমি বসে থাকি। আমি বসে থাকি আমার মৃত স্বপ্নের শবদেহ কোলে নিয়ে। হাজার বছর ধরে আমায় বসে থাকতে হবে কোন এক বেহুলার আগমন-প্রতীক্ষায়। লখিন্দরকে বাঁচাতে যুগে যুগে বেহুলাদের প্রয়োজন হবেই। হয়তো তখন এভাবে ঝরে যেতে দেয়া হবে না কোন স্বপ্নদলকে। সবকিছু ভুলে গিয়ে আমার মতো স্বপ্নহীন মানুষেরাও হাসতে পারবে প্রাণখুলে। আমি অপার হয়ে বসে থাকি। সোনালী সে ভোরের অপেক্ষার আদৌ কোন সমাপ্তি আছে কি!!!!

 

ডায়রীর ধূসর পাতা থেকে অতীত খুঁড়ে ব্যথা জাগানো আমার এক দুঃখবিলাস। এ’টা তারই ধারাবাহিকতা। অনেক ক’টা দিন হয়ে গেলো। ডায়েরী লেখা হয় না। টেবিলের কোণে অবহেলায় পড়ে আছে আমার বিশ্বস্ত বন্ধু স্বস্তি নামের ডায়েরীটি।আমি জানি, সে অধীর হয়ে অপেক্ষা করছে আমার স্বভাবসুলভ প্রত্যাবর্তনের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।