আমাদের প্রিয় নাম্মি আপুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

“জীবনকে আমি যতো দেখি, ততোই অবাক হই। যতোই ভাবি, জীবন থেকে চলে যাবো দূরে…বহুদূরে, জীবন আমাকে ততো বেশি আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ফেলে। কিছু মানুষ আমার জীবনের প্রতি এই মুগ্ধতা, এই মায়াচ্ছন্নবোধ আরো বাড়িয়ে দিয়ে আমাকে বলে যায়, বেঁচে থাকো..। বেঁচে থাকো চারপাশকে নিয়ে। পাবলিক লাইব্রেরীর সিঁড়িতে আমি মানুষটিকে প্রথম দেখি। গাঢ়.

বন্ধুর জন্য ভালোবাসা..শুভ জন্মদিন প্রিয়তা…

কুয়াশার বৃষ্টি দেখছি…। কীর্তনখোলার কালো জলের উপর টুপটাপ ঝরছে শিশির বৃষ্টি। দূরের আকাশে জেগে আছে ভয়ঙ্কর একাকী একফালি চাঁদ। আমার সাথে তার অতিপ্রাকৃত সংলাপ চলতে থাকে..। ছোটবেলায় খুব মেঘ হতে চাইতাম…। আকাশ ছুঁয়ে দেখার বড়ো বেশি ইচ্ছে হতো। হতে চাইতাম সোনালী ডানার চিল..। মানিক বাবুর কুবের মাঝি হওয়ার বড়ো শখ.

শব্দকল্পের অন্তরালে, হতে পারে এটি একটি অনুচ্চারিত প্রার্থনা…

ডায়রীর ধূসর পাতা থেকে অতীত খুঁড়ে ব্যথা জাগানো আমার এক দুঃখবিলাস। এ’টা তারই ধারাবাহিকতা। অনেক ক’টা দিন হয়ে গেলো। ডায়েরী লেখা হয় না। টেবিলের কোণে অবহেলায় পড়ে আছে আমার বিশ্বস্ত বন্ধু স্বস্তি নামের ডায়েরীটি।আমি জানি, সে অধীর হয়ে অপেক্ষা করছে আমার স্বভাবসুলভ প্রত্যাবর্তনের। সবাই চলে যায় আপন পথে। আমি সকাল.