দূর পাহাড়ের পথে চলেছেন নিঃসঙ্গ অভিযাত্রী!

“লাল পাহাড়ের দেশে যা রাঙ্গামটির দেশে যা ইত্থাক তুকে মানাইছে না রে ইক্কেবারে মানাইছে না রে..” কেনো ট্রেকিংয়ে আগ্রহী, সেটা এককথায় কিংবা একটি ইমেইলের কয়েকটি লাইনে বুঝিয়ে বলা সম্ভব নয় আমার পক্ষে। শৈশবে চিটাগাং ফায়ার সার্ভিসের কোয়ার্টারে থাকতাম তখন। কোয়ার্টার বিল্ডিংয়ের পাশে সুউচ্চ একটি টিলা ছিলো। প্রতিদিন বিকেলে আমরা ক’জন.

বাবার সবুজ ট্রাঙ্কভর্তি স্বপ্ন নিয়ে একদিন জাদুর শহরে আমি

ঢাকায় আমি পাকাপাকিভাবে বসবাস করতে আসি ২০০০ সালে। উদ্দেশ্য উন্নতমানের পড়াশোনা করে বাবা-মায়ের স্বপ্নপূরণ। ভবিষ্যতের কিছু একটা হয়ে তারপর ততোধিক সফল জীবন-যাপন। আমার ঢাকাযাত্রা উপলক্ষ্যে বাড়িতে তখন ব্যাপক তোড়-জোড় চলছে। গ্রামের স্কুল থেকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে আমাকে। এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াই সারাদিন..। কেউ কিচ্ছু বলে না। নাওয়া-খাওয়ার রুটিন গেছে ভেঙে।.

৫০ টাকা মাসিক হাতখরচের দিনগুলোতে মেয়নেজ মাখানো বার্গার

এ্যলিফেন্ট রোডের একটি মোটামুটি মানের ছাত্রাবাসে  তখন আমি। শৈশব পেরিয়ে সবে কৈশোরের দ্বারপ্রান্তে..। লিফট ছাড়া বিল্ডিংয়ের সাত তলায় থাকি। কাছেপিঠে কোন বাড়ি না থাকার সুবাদে চারপাশের অনেকটা জুড়ে দৃষ্টি চলে। নিত্যকার কাজকর্ম-পড়াশোনার ফাঁকে যেটুকু সময় পেতাম, তার অনেকটা অংশ কাটতো , গরাদআঁটা জানালার ভেতর দিয়ে মুক্ত আকাশ আর জাদুর শহর ঢাকার.

১০০ কি:মি: রাইড এবং একটি ক্রস কান্ট্রি রাইডের প্রস্তুতি

“হারিয়ে গিয়েছি, এইতো জরুরি খবর অবাক দুই চোখে, ছায়া কাঁপে ভয় অভিমানে হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই এখানে হারাবো বলে, পা টিপে এগুতে গেলে গোটা শহর বাতি জ্বেলে সতর্ক পায়ে পায়ে হারাবার জায়গা খুজে মরি গোটা শহর বাতি জ্বেলে সতর্ক পায়ে পায়ে হারাবার জায়গা খুজে মরি…” —–সাহানা বাজপেয়ী # হারানোর ইচ্ছেটা.

একজন স্ট্রীট ম্যাজিশিয়ান ও রূপকথার জাদুকরের গল্প

জনারণ্যে খুঁজে ফিরি আপনার স্বজন…পথ-লিপি – ২ ”দেহেন ভাই, আমার হাতে কয়ডা কার্ড? তিনডা? আমি দেখতাছি চাইরডা। বাইর কইরা দেহান তো…” এভাবেই ঢাকার নগরকর্তার বাড়ির সামনে, ওসমানী উদ্যানের লাগোয়া ফুটপাথের অনাড়ম্বর আর ধুলোমলিন স্টেজে ম্যাজিক দেখাচ্ছিলেন আমার শৈশবের স্বপ্নের জাদুকর হ্যারি হুডিনী। অবাক হলেন তো? অবাক হবারই কথা। বিশ্বের খ্যাতনামা ম্যাজিশিয়ান.

“চুপিচুপি রাত নেমে এলে পরে , ভাঙা জানলার সাঁড়শিটা খুলে যায়
কালিঝুলি মাখা ঘরটায়, কে যেন আবার হেটে চলে খালি পায়
মাঝেমাঝে লোডেশেডিং এর রাতে, বেজে ওঠে জেরেমির বেহালা…”
————অঞ্জন দত্ত

IMG_20140326_212600
## গতকাল দুপুর থেকে রাত অবধি সময়টি অসাধারণ কাটলো। আমি সবসময়ই জীবনকে দেখে অবাক হই। আমার সহোদর জীবন কখনো কখনো হয়তো আমাকে বিষণ্ন, ক্লান্ত কিংবা দুঃখিত করে। তারপরও সে আমাকে অবাক করে তার ভালো থাকার ক্ষমতা, অভিনব অবাক করা সৌন্দর্য দিয়ে। কতোটুকু নিচ্ছে জীবন আমার কাছ থকে, সেটা ধর্তব্যর মধ্যে রাখলেই দুর্বিষহ লাগবে জীবন। বরং, কতোটুকু দিচ্ছে আমাকে, আমি সেটাই মনে রাখি। আমার পথচলা অনেক সহজ হয়। আনন্দ খুঁজে নিতে জানতে হয়। তাহলেই ভালো থাকা সম্ভব হয়। হোকনা জীবন ফড়িং কিংবা দোয়েলের, তবুও সে জীবন খুঁজে পাক একটু প্রাণখুলে শ্বাস নেয়ার অবসর। একটু বিশ্রামের আশ্রয়। একটা প্রিয় মুখ, যাকে দেখলে আরো কতোগুলো দিন আরো অসংখ্য সকাল দেখার ইচ্ছেটা জেগে থাকবে। শুভ কামনা রইলো আমার প্রিয়জনদের জন্য। ভালোবাসা রইলো নীরার জন্য। শাড়িতে যাকে অসম্ভব সুন্দর মনে হয় আমার কাছে। ভালো থেকো নীরা। ভালো থাকিস দাদা। ভালো থেকো আপি। ভালো থাকুক আমার চারপাশের জীবন। প্রিয় এই দেশ ভালো থাকুক।:)

বেজে ওঠে জেরেমির বেহালা

“চুপিচুপি রাত নেমে এলে পরে , ভাঙা জানলার সাঁড়শিটা খুলে যায় কালিঝুলি মাখা ঘরটায়, কে যেন আবার হেটে চলে খালি পায় মাঝেমাঝে লোডেশেডিং এর রাতে, বেজে ওঠে জেরেমির বেহালা…” ————অঞ্জন দত্ত ## গতকাল দুপুর থেকে রাত অবধি সময়টি অসাধারণ কাটলো। আমি সবসময়ই জীবনকে দেখে অবাক হই। আমার সহোদর জীবন কখনো.