নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকের সাথে বেনামী আলাপ

-হ্যালো.. -জ্বী বলুন.. -আমি নীরব বলছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলছেন? -জ্বি বলছি..।  -আমি কি একটু কথা বলতে পারবো? -জ্বি বলুন -আমি আপনাদের সাথে কাজ করতে চাইছি। আরিভার ফান্ডিং নিয়ে। আমি কি পারবো আপনাদের সাথে যুক্ত হতে? -জ্বি পারবেন। আজকে চলে আসুন শাহবাগে। পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে। -আপনাকে চিনবো কীভাবে? আমি অবশ্য.

যাদুর শহরে ঝাপসা কম্পোজিশনের একটি বিকেল

ফাল্গুণের ১ম দিন বইমেলায় যাবো বলে বের হয়েছি। টিএসসির কাছাকাছি কোথাও অন্তরার সাথে দেখা হবে। তারপর একসাথে বইমেলায়। নীলক্ষেতের মোড় থেকে উপযুক্ত ভাড়ায় রিকশা না পেয়ে হাঁটছি। চারপাশ জুড়ে রঙ বেরংয়ের পোশাক পড়া মানুষজনের ভিড়। ফাগুণের রঙ হিসেবে ক্যাটক্যাটে হলুদ আমার মোটেও ভালো লাগে না। শৈশবের বিরক্তিকর একঘেয়ে জন্ডিসের কথা.

ভিজিটিং প্রিজনার্সে শান্তির ১ টি দিন

আমরা যখন জয়দেবপুর, শিববাড়ি পৌঁছলাম, তখন সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে। আমি, শান, মুনির আমরা ৩ জন ঢাকার বিরক্তিকর জ্যাম আর গরমে সেদ্ধ হয়ে রাজবাগান এসেছি আশফাক ভাইয়ের দাওয়াতে। ভিজিটিং প্রিজনার্স নামে অভিনব পাবলিক ইভেন্ট ওপেন করে আমাদের দাওয়াত করেছেন তিনি। দারুন সুন্দর চারপাশ দেখতে দেখতেই সন্ধ্যার পথে আমরা ঢুকলাম বাসায়। চারদিকে.

প্লেটভর্তি ভাত আর হাঁসের মাংসে – গ্রামের বাজারে আমাদের একরাত

আমরা সেদিন ছিলাম জীবনানন্দের বরিশালে। ঢাকা থেকে ভোরে এসে নেমেছি লঞ্চে করে। ট্রাভেলার্স অব বাংলাদেশ আয়োজিত রামনাথ বিশ্বাস রাইড – ১ এর সাইকেল ট্যুরে। ৯ জনের একদল ব্যাকপ্যাকার। ফয়সাল ভাই, রাইন ভাই, শরীফ ভাই, মুনিম ভাই, মোহাম্মদ ভাই, মিথুন ভাই, বাহার ভাই, নাইম এবং আমি। সাইকেল আর ব্যাকপ্যাকে ক্যাম্পিংয়ের সব সরঞ্জাম, মাথায়.

নাস্তার টেবিলের খোঁড়া কাকের জন্য লিখছি

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস স্টাফ কোয়ার্টারের জীর্ণ একটি বিল্ডিংয়ে তখন আমাদের বসবাস। মা বাবা আর আমি। বাবা সারাদিন অফিসে থাকেন। কখনো রাতেও বেরিয়ে যান ‘ফায়ার কলে’। আমার রোজকার নাস্তার টেবিলের সঙ্গী ছিলো তখন একদল কাক। নাস্তার সময় কী করে করে টের পেয়ে যেতো ওরা , সেটা আজও আমার কাছে বিস্ময়ের ।.

একজন ছেলেধরার সাথে হারিয়ে-যাওয়া-আমার একটি বিকেল

আমরা তখন মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরের উকিলপাড়া নামক এলাকাতে থাকি। মা, আমি আর ছোটখালা। ভিটেপাকা টিনের দুটি ঘর মিলে একটি বাড়ি। একঘরে আমরা। অন্যটাতে থাকতো আসলাম ভাইয়েরা। আসলাম ভাইদের সাথে পরিচয় এই বাড়িতে আসার পর। আমরা চিটাগাং ছেড়ে চলে এসেছি সবে কিছুদিন হয়েছে। এখানের কিছুই চিনি না। চারদিকে ছেলেধরার খুব উপদ্রব.