একদিন আমরাও…

প্রেমিক সেই হতে পারে যে অনায়াসে বিষ পান করে …পাথুরে আত্মায় সবুজ চারাগাছ মাথা চারা দিয়ে ওঠে…সর্বজ্ঞ নয় , যে জানে না কিছু ভালোবাসা ছাড়া সে ই প্রেমিক ……… আমি অনায়াসে বিষ পান করেছি …, আমিও কখনো জানতে চাইনি এবং কখনো চাই না যে, ভালোবাসা ছাড়া কিছু আছে। তবুও, কোন.

একটুকরো শুভ্রতার অপেক্ষা…।

একটু একটু করে জেগে উঠছে আমাদের প্রিয় শহর ঢাকা।রাস্তা-ঘাট সবখানে শুধু ছুটে চলা মানুষের ভিড়।ইট-কাঠ,পাথরের এই শহরের আমিও একজন নাগরিক। অনেকদিন আছি এই যান্ত্রিক নগরিতে।তবুও যেন এখনো ঠিক এই শহরের কেউ হয়ে উঠতে পারিনি। জনতার ভিড়েও কেউ কেউ কত বেশী নির্জন! চারদিকে শুধু গতিশীল সময়ের পথ অতিক্রমের নিদারুণ ব্যস্ততা।নিজেকে বড়.

প্রতীক্ষা..

নতুন বছর আসে। জীর্ণতা ঝেড়ে ফেলে সামনে পথ চলার বার্তা নিয়ে। উৎসব আর ভালোবাসায় সবাই বরণ করে নেয় নতুনকে। কিন্তু, কি অদ্ভূত! আমার দিনগুলো কেমন আগের মতই বর্ণহীন পড়ে থাকে। শুরু হয় প্রিয়তার জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকা কষ্টনীল আরেকটি বর্ষ। কবে আমি প্রাণখুলে হাসতে পারব,প্রিয়তার হাতে হাত রেখে পরম আনন্দে.

সুখ-সন্ধানী এক ক্লান্ত পথিক…।

সুখের সন্ধানে অবিরাম হেঁটে চলা আমি এক ক্লান্ত-পথিক। কখনো কখনো আমার ভালো থাকাকে আমার নিজেরই হিংসে হয়। কিন্তু আমি সুনিশ্চিত জানি, এটা আসলে সুখ নয়। মহাকালের কোন অজানা জগত থেকে ছিটকে পড়া কোন স্বপ্নময় মুহুর্ত। আমার ননীর পুতুলটা আমার অনেক কাছে থাকে। সারাটা সময় ধরে আমায় বেঁচে থাকতে শেখায়। কত.

বন্ধুর পথে বন্ধু হয়ে………।

বৃষ্টির টাপুর-টুপুর ঝরে পরা দেখছি বারান্দায় বসে। ইট-কাঠের কর্মব্যস্ত এই শহরে, স্বল্প টাকার ছোট্ট একটা পায়রার খোঁপে, বাস করি আকাশছোঁয়া স্বপ্ন বুকে নিয়ে। কত কি ভাবি আপন মনে! শহুরে কোলাহল ছাড়িয়ে বহু দূরের এক গাঁয়ে,একজন মমতাময়ি অধীর অপেক্ষায় থাকেন আমার ফিরে যাবার। সভ্য সমাজের স্বীকৃতি আর জীবনের প্রয়োজনে পড়ে আছি,.

অনন্ত অন্ধকারে ক্লান্ত কেউ একজন………।

রাত অনেক। তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের নিয়ে জলযান কীর্তনখোলা। হঠাৎ কোথাও বেড়িয়ে পড়ার অনুভূতিটা একেবারেই অন্যরকম। শান্তির খোঁজে অনেক পথ পাড়ি দিয়েছি, এমনি করেই, একেবারে একা। চারদিকে ”অকূল-দরিয়া”। আকাশে জেগে থেকে আমাদের সঙ্গী হয়ে ভেসে চলেছে ভয়ানক একা একটি চাঁদ। রূপালী আলোয় ভিজছে ঘুমন্ত এই পৃথিবী। আমি দাঁড়িয়ে দেখছি।.