গগন একটি জলরঙা পোর্ট্রেটের গল্প জানেন

গগন একটি জলরঙা পোর্ট্রেটের গল্প জানেন দূরাগত জাহাজে সফেন সাগরের সন্ধ্যার রঙ তার বহু দিনের চেনা নোনাজলের ঘ্রাণ তার নাকে মুখে শরীরে আস্তরনের মতো লেগে থাকে ইস্তাম্বুলের বাজারে তার সাথে যে নাবিক বসেছিলো খানিকটা সময় আজকাল গগন তাকেও খুঁজে ফেরেন নাজিরাবাজার মোড়ে..। সস্তা ক্যানভাস মোড়কে আটকে পড়া দূরাগত জাহাজ কিংবা.

Source_the_rivers_scams – PHOTO • P. SAINATH

অনুবাদ: খরাপীড়িত জনপদে পানির হাহাকার ও মহারাষ্ট্রে জলচুরির জালিয়াতি – পি সাইনাথ

মহারাষ্ট্রে পানি উন্নয়ন খাতে অর্থের বন্যা হওয়ার পরেও কেনো নদীগুলো ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে? কৃষ্ণা নদীর ভাটিতে পি সাইনাথের একটি ভ্রমণ বৃত্তান্ত তিনি সত্তরোর্ধ একজন স্ট্রবেরি চাষী। ওড়িষ্যা রাজ্যের পুরোনো মহাবালেশ্বরে নিজের ৩ একর জমিতে চাষাবাদ করেন। পানির প্রয়োজন মেটাতে পারিবারিক কূপ ছিলো নিজেদের। খরায় সেটি শুকিয়ে কুয়োর তলদেশ পাথরের মতো শক্ত.

© Photography by Malcolm Browne ~Burning Monk ~

সংবাদগল্পের ফটোগ্রাফে ক্যাপশন বিষয়ক আলাপ

একটি ছবি সহস্র শব্দের সমপর্যায়ের গুরুত্ব বহন করে। শব্দের সীমাবদ্ধতাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে ভিজ্যুয়াল আর্টের শুরুর সময় থেকেই মানুষ ছবির আশ্রয় নিয়েছে। আদিম গুহাচিত্রের যেসকল ছাঁপচিত্র আমরা দেখতে পাই, ভাষার অনুপস্থিতি থাকার পরও তখনকার অচেনা মানুষদের বার্তা আমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। তারপর ধাপে ধাপে পেইন্টিং ফরম্যাটের বৈপ্লবিক সময় পার করে ফটোগ্রাফের.

নক্ষত্রের রাজ্যে একদিন

সুরাইয়া ও আল-দাবরানের আকাশিয়া প্রেম এবং একটি দারুন রাতের গল্প

আকাশের বিশালতায়ও নাকি হাজার বছরের এক অসমাপ্ত প্রেমকাহিনী বেঁচে আছে সহস্র বছর ধরে! চমকে উঠলেন? আমিও অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। সেদিন সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামের ছাঁদে দাঁড়িয়ে রাতের আকাশ দেখতে দেখতে যখন একজন বলছিলেন সুরাইয়া আর আল দাবরানের গল্প, তখন আমি ভাবছিলাম, কী দারুন মানুষের কল্পনা! ভ্রমির আয়োজনে নক্ষত্রের রাজ্যে একদিন.

দ্বিমাত্রিক ক্যানভাসে ত্রিমাত্রিক দৃশ্যকল্প কিংবা ইল্যুশন অব ডেপথ

ফটোগ্রাফ, পেইন্টিং, স্কেচ কিংবা ড্রইংয়ের কোন গভীরতা থাকে না! আসলেই কি তাই? সত্যিকার অর্থে ব্যপারটা সেরকমই। ভিজ্যুয়াল আর্টের এই মাধ্যমগুলো দ্বিমাত্রিক। দৈর্ঘ্য , প্রস্থ থাকলেও কোন তল নেই। ফটোগ্রাফি বলতে বুঝায়, একটি ত্রিমাত্রিক পৃথিবীর দ্বিমাত্রিক অনুলিপি কিংবা হুবহু কপি। আমাদের চোখ ও মস্তিস্কের ইমেজিং প্রক্রিয়ার বহুমাত্রিক সক্ষমতার কারণে আমরা কাঙিক্ষত.

গেরুয়া; এই গ্রাম ছেড়ে তোমরা কোথায় যেতে চাও?

“সুবর্ণ গ্রাম, গিয়েছ কি? তবে একবার ঘুরে দেখে এসো..” – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সুবর্ণগ্রামে কাজল রেখার বাড়ি। আমার শৈশবও কেটেছে এখানেই। সত্যিকার অর্থে সুবর্ণগ্রাম নামের কোন গ্রাম নিয়ে আমি লিখছি না। বাংলাদেশের অসংখ্য গ্রামের একই রূপ রঙ ঘ্রাণ। বাতাসে ভেসে বেড়ানো খাঁটি ও সত্যিকারের জীবনের তীব্রতা সবখানেই সমানভাবে বয়ে যায়।.