Alex Webb Outside of the Blue Mosque during Ramadan. Istanbul, Turkey. 2001. © Alex Webb | Magnum Photos

শত নামের এক সীমান্ত-শহরে বিষণ্নতার অনুসন্ধান (ফটোগ্রাফি বিষয়ক অনুবাদ)

এ্যালেক্স ওয়েব। বিশেষভাবে পরিচিত তাঁর ভিন্নধর্মী রঙিন ফটোগ্রাফিক সিরিজের জন্য। ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান দীপপুঞ্জে কাজ করেছেন দীর্ঘসময় ধরে। প্রকাশিত হয়েছে ১৬ টি ফটোগ্রাফি বিষয়ক বই। নিউইয়র্কের এই ফটোগ্রাফার ১৯৮৯ সাল থেকে বিখ্যাত ফটোগ্রাফিক কো-অপারেটিভ ম্যাগনাম ফটোসের সাথে আছেন। তাঁর ফটোগ্রাফ/স্টোরি ছাঁপা হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস ্ম্যাগাজিন, নেটজিও, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সহ আরো নানান পত্রিকা.

Ferdinando Scianna Coney Island, Brooklyn, New York City. USA. 1985. © Ferdinando Scianna | Magnum Photos

রহস্যময় ঘুম, হয়তো স্বপ্নের জন্য নিরন্তর জার্ণি (ফটোগ্রাফি বিষয়ক অনুবাদ)

ফার্দিনান্দ সিয়েন্না। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ইতালিতে জন্ম নেয়া ফটোগ্রাফার। ৬০ এর দশকে ইউনিভার্সিটি অব পালের্মোতে সাহিত্য, দর্শন ও কলা-ইতিহাস নিয়ে শিক্ষাগ্রহণ করেন। তখন থেকেই তার ছবি তোলার সময় শুরু। সিসিলির স্থানীয় মানুষজনের ছবি তোলার মধ্য দিয়ে ফটোগ্রাফি কিংবা ক্যামেরায় মুহুর্ত অনুসন্ধানের সুবিশাল দুনিয়ায় পা রাখেন এই মেধাবী চিত্রকর। ১৯৬৬.

অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কিংবা মায়োপিক বিষণ্নতার ইশতেহার

অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কিংবা মায়োপিক বিষণ্নতার ইশতেহার

আমি অন্ধকার দেখতে পাই! অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কেমন হয়, আমার সেটা জানা! অনেকক’টা বছর আগে- প্রথম যখন আমার রুমমেটকে কথাটি বলেছিলাম, ও ধরেই নিয়েছিলো, আমার মাথাটা বোধহয় গেছে। তারপর থেকে বহুজনকে বলেছি এই অদ্ভূত ক্ষমতার কথা। খুব ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সবাই নানাভাবে এড়িয়ে গিয়েছে। কেউ হয়তো বিশ্বাস করতে চেয়েছে। আবার কেউ.

শৈশবের শবে বরাতে গরম জিলাপির বিলাসিতা

শৈশবের শবে বরাত ও পকেটভর্তি গরম জিলাপির বিলাসিতা

শবে বরাত শব্দটির সাথে পরিচয় হয় শৈশবে। আমরা তখন চিটাগাংয়ের আবাস ছেড়ে গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জে চলে এসেছি। বাবার সরকারি চাকরীর বদলি হলো ঢাকাতে। গ্রামের পরিবেশ আমার কাছে মোটেও রোমান্টিক টাইপ মনে হয় নি। শহুরে আমি যেমন জীবনে অভ্যস্ত ছিলাম, গ্রামে জীবন তারচে অনেক আলাদা ছিলো। সবচে বেশি অবাক লাগতো, গ্রামে.

ওস্তাদ হোটেল

ওস্তাদ হোটেল; বিরিয়ানির ঘ্রাণ যেখানে মানুষের গল্প বলে

যে কেউ অন্যের পেট ভরানোর ক্ষমতা রাখে। কিন্তু, তাদের মন ভরানোর ক্ষমতা থাকে কয়জনের! ওস্তাদ হোটেলের প্রবীণ মালিকের কন্ঠে এই সত্যভাষণ আমাকে চমকে দেয়। কেরালার কোন এক সাগর তীরের ছোট্ট এক হোটেল। যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ খেতে আসে। পাশেই লম্বা হয়ে আকাশের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো ফাইভ স্টার হোটেল বিচ.

ডাযনোসর ইউসোরাস

ডায়নোসররাও কখনো কাঁদে এই মুমূর্ষু ‘নেক্রপলিসে’

আজকে আমার সামনের সিটে বসা ডায়নোসরকে কাঁদতে দেখেছি আমি। সকাল ৭:৩০ এর ভার্সিটি বাস। বিআরটিসি থেকে ভাড়ায় নিয়ে আসা আমাদের অনেকের প্রিয় লালরঙা দোতলা। মিরপুর থেকে জাবি। এই বাসে নিত্যদিন যাতায়াত আমার। সেখানে চোখেজল সহ বসে থাকা ডায়নোসর দেখে ভ্যাবচ্যাকা খাওয়াটা দোষের কিছু না নিশ্চয়ই!  অবাক কান্ড, তাই  না? ভীষণ অবাক হওয়ার.