ব্লগসাহিত্য; চিরন্তন ক্যানভাসে নতুনের জলছবি

‘ব্লগার মানেই হচ্ছে সময়ের অগ্রবর্তী সত্ত্বা।’ শুরু করছি শ্রদ্ধেয় রণদীপম বসুর উক্তি দিয়ে। ইদানিংকালে ‘ব্লগসাহিত্য’ শব্দটি খুব জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। প্রযুক্তির কল্যাণে বিভিন্ন মত ও ধারার অনলাইন বাংলা কমিউনিটি তৈরী হচ্ছে। স্বভাবতই এসব কমিউনিটিতে যুক্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। একসময় ব্লগ বলতে শুধু দিনলিপিই বুঝাতো। এখন পাল্টে যাচ্ছে ব্লগের চিরায়ত সংজ্ঞা। ব্লগ হয়ে উঠছে সাহিত্যের শক্তিশালী একটি ধারা।
‘ব্লগসাহিত্য’ সাহিত্য কিনা, সেটা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। হচ্ছেও ঢের। সাহিত্যের সুসংহত এবং নিরপেক্ষ সংজ্ঞা , লিখিত সাহিত্যের দুই হাজার বছরের ইতিহাসে দেয়া সম্ভব হয় নি। কোন্ লেখা সাহিত্যপদবাচ্য, সেটা নিয়ে বিতর্কের ফয়সালা এখনি করা যাবে বলে মনে করছি না। বরং, ইদানিং একটা ওয়ার্কিং ডেফিনেশন ডিফাইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। ফিনিশিং টাচ বোধকরি এখানো দেয়ার সময় আসে নি।
সাহিত্য সময়কে ধারণ করে। শব্দের আবরনে জীবনবর্তী সময়ের, অন্তস্থ প্রতিপাদ্য উদঘাটনের ভিন্নতর ডিসকোর্সই সাহিত্য। যদি ব্লগ আমাদের চলমান সময়কে ধারণ করতে সক্ষম হয়- যদি আতীব্র অনুসন্ধানের বেশুমার কম্বিনেশন মিলিয়ে যাপিত জীবনের অন্তর্লোক চিত্রায়ণে মুন্সিয়ানা থাকে ব্লগাশ্রয়ী সাহিত্যের, তাহলে ব্লগের চিরায়ত সাহিত্য হতে বাঁধা কোথায়? সাহিত্যের অধিষ্ঠান অন্তহীন কোন শূন্যতার মাঝে। তাহলে, সাহিত্যকে মার্জিনালাইজ করে ফেলার মতো সুগভীর বিচ্ছিন্নতা  কেনো আসে? কেবলমাত্র মুদ্রিত গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নিবন্ধই সাহিত্য নয়। ব্লগের ক্রমবর্ধমান বিকাশ আমাদের মনে করিয়ে দেয় এসেছে নতুন, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্লগিং ধারণাটা নতুন বলেই মূলধারার সাহিত্যে এখনো কোন উল্লেখযোগ্য প্রভাব তৈরী হয়নি ‘ব্লগসাহিত্যের’। তবে, আগামী দশকের শেষের দিকে ব্লগ,  বিকল্প গণমাধ্যমের উদাহরণ হয়ে উঠলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। ‘সাহিত্য যদি হয় সংযোগ বা সমন্বয়সূত্র, অতীতের সাথে বর্তমানের, লেখকের সাথে পাঠকের, যাপিত জীবনের বাস্তবতার সাথে মানবমনের উপলব্ধির, তাহলে ব্লগ কি এর বাইরে?’
ব্লগ নবীণ লেখকের মকশো করার জন্য যেমন চমৎকার প্লাটফর্ম তেমনই প্রাজ্ঞজনের জন্যও উপভোগ্য। লেখক তৈরিতে অসামান্য ভূমিকা রাখছে ব্লগ। প্রতিষ্ঠিত অনেক লেখক যেমন নিয়মিত ব্লগে লেখেন, তেমনি ব্লগে লিখতে লিখতে অনেকে নবীন লেখকও প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছেন। গত কয়েক বছরের বইমেলায় ব্লগার লেখকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
২০১০এর বইমেলায় প্রথমবারের মতো একটি ব্লগ সাইটের স্টল দেখা যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ করছি, ২০১০ এর বইমেলায় আবু মুস্তাফিজের গল্পগ্রন্থ লুহার তালা, তারেক নূরুল হাসানের গল্প সংকলন কাঠের সেনাপতি, সাইফুল আকবর খানের উপন্যাস ত্রিধা, পান্থ রহমান রেজার গল্প সংকলন সন্ধ্যার মেঘের রঙ অন্ধকার হলে, মাহবুব আজাদের গল্পগ্রন্থ ম্যাগনাম ওপাস ও কয়েকটি গল্প, আরিফ জেবতিকের ডকুফিকশন ১/১১-র রাতে একুশ নম্বর আঙুল, রজিউদ্দীন রতনের বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থ অণুজীবের পৃথিবী, আনিস হকের ছোটগল্প সংকলন অন্ধরাতের ঘোড়া এবং ভ্রমণবিষয়ক গ্রন্থ জাহাজী যাযাবর, নজমুল আলবাবের কাব্যগ্রন্থ মিহিদানা দিনলিপি, মাহবুব লীলেনের ছোটগল্প বেবাট, আকতার আহমেদ ও মৃদুল আহমেদের রাজনৈতিক ছড়ার বই রাজাকার ইস্যুতে, মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে সহ আরো কিছু ব্লগ সংকলন প্রকাশিত হয়। এগুলো ছিলো ব্লগারদের নিজেদের লেখার সংস্করন।
এছাড়াও, ইদানিং ব্লগারদের সম্মিলিত ব্লগ সংকলন প্রকাশ পাচ্ছে। যেমন বলা যায়, মুর‌্যাল ( আমরা বন্ধু ), নগরনাব্য ( বিডি নিউজ ব্লগ ), অবন্তি, নৈঃশব্দের শব্দযাত্রা, সবুজ অঙ্গন, নির্বর্ষ শ্রাবণ নামে কিছু যৌথ প্রকাশনা। যদিও অপরবাস্তব নামে একটি ব্লগ সংকলন আরো আগে থেকেই নিয়মিত প্রকাশিত হতো। ব্লগ লেখকদের প্রকাশিত বইয়ের কাটতিও ছিলো ভালোই। ব্লগারদের লেখা একটি অভিনব উপন্যাসের দেখা মেলছে গত কয়েকবছর ধরে। বারোয়ারী উপন্যাস। যেখানে একদল ব্লগার মিলে একেকজন একেকটি অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন। প্রতিবছর ব্লগার সংকলনের হার আশাব্যঞ্জক ভাবে বাড়ছে। ব্লগারদের বই প্রকশনার একটা ক্ষীণ হলেও স্বতঃস্ফুর্ত আগ্রহ দেখা যাচ্ছে প্রকাশকদের অনেকের মধ্যেই। ব্লগে লেখালেখির মাধ্যমে ব্লগারদের সার্কেল তৈরী হয়ে যাচ্ছে । লেখক খুব দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছেন পাঠকের কাছে। ফলে নতুন লেখকদের সাহিত্য করার জন্য ব্লগ একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাহমিদুল হক লেখেছেন, “ ব্লগে লিখে লিখেই অনেক শক্তিশালী লেখকের সৃষ্টি হয়েছে। ব্লগ কমিউনিটি তাদের লেখালেখির সুযোগ করে না দিলে হয়তো সংবাদপত্র-লিটল ম্যাগাজিনের মতো দ্বাররক্ষক-নিয়ন্ত্রিত মাধ্যমে লেখালেখি করে লেখক হয়ে ওঠা তাদের পক্ষে সম্ভব হতো না। কেবল সামহ্যোয়ার ব্লগে লিখেই আবির্ভাব ঘটেছে (অ)গাণিতিক (তানভীরুল ইসলাম), আকাশচুরি (তারিক স্বপন), মোস্তাফিজ রিপনের মতো গল্পকারের। ২০০৯ সালে সামহ্যোয়ার-এর ব্লগারদের বাৎসরিক প্রকাশনা ‘অপরবাস্তব ৩’-এ এরকম বেশ কয়েকজন শক্তিশালী নতুন গল্পকারের গল্প প্রকাশিত হয়েছে। আবার সাইবারমাধ্যমে লিখতে লিখতে মুদ্রণমাধ্যমে গ্রন্থপ্রকাশে উদ্যোগী হয়ে উঠেছেন অনেকেই এবং এর সংখ্যা প্রতি বছর বেড়ে চলেছে।” (ফাহমিদুল হক, বাংলা ব্লগ কমিউনিটি : মতপ্রকাশ, ভার্চুয়াল প্রতিরোধ অথবা বিচ্ছিন্ন মানুষের কমিউনিটি গড়ার ক্ষুধা, যোগাযোগ, ডিসেম্বর ২০১০)।
কথাসহিত্যিক আহমাদ মোস্তফা কামাল ব্লগকে দেখছেন একটা বিকাশমান সাহিত্যমাধ্যম হিসাবে। “ ব্লগের ক্রমবর্ধমান বিকাশ দেখে মনে হচ্ছে, ক্রমশই এই বিষয়টি তরুণ সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। যারা কোনোদিন লেখার কথা ভাবেনও নি, তারাও হয়তো লিখতে শুরু করেছেন। লিখতে লিখতেই শিখে গেছেন, আলোচনা সমালোচনা উপদেশ পরামর্শ তাদেরকে ধীরে ধীরে গড়ে তুলছে। আর এখানেই ব্লগ অন্যান্য যে কোনো মাধ্যমের থেকে আলাদা ও অধিকতর আকর্ষণীয়। সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এখানে একজন লেখকের গড়ে ওঠার প্রাথমিক কাজটি সম্পন্ন হয়।” (আহমাদ মোস্তফা কামাল, অপরবাস্তব:সাহিত্যচর্চার নতুন ধরন, বইয়ের জগৎ, ২০০৯)।
ব্লগে লেখক পাঠকের মিথস্ক্রিয়ার ব্যাপারটা অত্যন্ত দারুন। হয়তো হতে পারে লেখক পাঠকের মাঝে একটা শোভন দূরত্ব থাকা উচিৎ। আমার ধারণা, গ্লোবালাইজেশন বা বৈশ্বিক পৃথিবীর এই সময়ে এসে, লেখক-পাঠকের এই দূরত্ব ঘুঁচিয়ে দিতে হবে। ব্লগের সবচেয়ে বড়ো অর্জন হচ্ছে লেখক-পাঠকের এই দূরত্ব মুছে দেয়া। বাঁধানো বই সংস্কৃতিতে পাঠকের ঐ রকম সুযোগ কই, লেখককে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর? ব্লগপাঠকের কিন্তু এই সুযোগ আছে, ব্লগের লেখককে ‘ইন্সট্যান্ট জাজমেন্ট’ এর । এই জাজমেন্ট এর কারনে মন্তব্যগুলো কখনো অতি পিঠচাপড়ানো মনে হতেই পারে। এর পেছনে যে কৌশলগত কার্যকারন নাই সেটা হলফ করে বলা যায় না । আবার, এটা যে বাঁধানো বই সংস্কৃতিতে নেই , সেটাও বলা যায়না।
পিঠচাপড়ানোর মতো করে, লেখকের চামড়া ছড়ানো পাঠকের ও কিন্তু অভাব নেই বগে । ‘বাঁধানো বই’ সংস্কৃতির তুলনায় ব্লগ সংস্কৃতিতে পাঠক অনেক সরাসরি, তীক্ষ্ণ মন্তব্য করার সুযোগ পায় যা অনেক ক্ষেত্রেই হয়তো প্রযোজ্য  ।
আমার ধারনা ‘বাঁধানো বই’ সংস্কৃতির বহু লেখক যারা আমাদের তথাকথিত মুল ধারায় প্রতিষ্ঠিত বলে পরিগনিত, তাদের অনেকেই পাঠকের এই সরাসরি চাপ নিতে এখনো প্রস্তুত নয় কিংবা সেই সৎসাহস ও অনেকের নেই । এটা কিন্তু প্রমানিতও হয়েছে কোথাও কোথাও ।
অনেকে মনে করেন, দিনলিপি ছাড়া ব্লগ আর কোন কাজেরই না। অথচ, দস্তয়ভস্কির প্রথম উপন্যাস ‘অভাজন’ লেখা হয়েছিলো অটোবায়োগ্রাফীর ফর্মে।  ট্রাডিশনাল অর্থে সাহিত্য না হওয়ার পরও কারো কারো সৃষ্টি পেয়েছে সাহিত্য অভিধা। চার্চিলের নোবেল প্রাইজ বা নেভিল কারদুসের ক্রিকেট বিষয়ক লেখালেখি তেমনই উদাহরণ। বার্ট্রান্ড রাসেল কিংবা নীরদ চেধৈূরীর অটোবায়োগ্রাফী সাহিত্যরূপেই পাঠ করা হয়। দিনলিপি বা আত্মজীবনীর ক্যাজুয়াল ফর্মের ভেতর দিয়ে উঠে আসে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের গল্প। জীবনঘনিষ্ট সাহিত্য। নগরায়নের গরাদআঁটা বৃত্তে, সোডিয়াম আলোয় নির্ঘুম কিছু দ্বান্ধিক মানুষের মেটামর্ফসিসের বয়ান।
আমি বলছি না, ব্লগে যা লেখা হচ্ছে, তার সবটুকুই সাহিত্য। যেমনভাবে, মূলধারার সাহিত্যেও সবকিছুই সাহিত্য হয় না।  কখনো কখনো ব্লগে কিছু শক্তিমান কলমের আঁচড় দেখা গেছে, যাদের লেখা ছাড়িয়ে যাবে অনেক প্রতিষ্ঠিত মুদ্রনমাধ্যমের লেখককেও। তাদের লেখাগুলো আজন্ম অন্বেষিত সত্যকে, শব্দের সংস্থানে, কুশলী সফলতায় আটকে দেয় ‘লিরিকের মোজাইকে’। কখনোবা সরল গদ্যের প্রথাগত ভঙ্গিতে লেখক বলেছেন অন্তর্লীন কোন পৌনপুনিক যান্ত্রিকতার গল্প। তখন, শব্দভৈববের সুসংহত মলাটে, সীমাহীন অর্থের ব্যঞ্জনা, বিকশিত উৎকর্ষে ছাড়িয়ে যায় পাঠকের লিঙ্গুয়িষ্টিক কম্পিটেন্স বা ভাষাগত সামর্থ্যকে। ‘আসাফির বিলা আজনিহার’ মতো অসংখ্য ‘উইংলেস বার্ড’ আকাশের গায়ে নৈর্ব্যাক্তিক নির্লিপ্ততায় জলের নকশা এঁকে চলে।
আমাদের মনোজাগতিক আকাশের পরিধি খুব ছোট্ট। কাঁচ বসানো দেয়ালের ওপারে থাকি আমরা। হয়তো সেকারণেই, প্রাত্যহিকতার সাহিত্যকে সাহিত্য না বলে, গাঢ় রসঘন সৃষ্টিকেই সাহিত্য বলি। ব্লগ আমাদের সাধারণ পাঠকের নিজেকে মেলে ধরবার প্রিয় আড়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সময়ের সাথে সাথে ক্রমশৎ পাল্টে যাবে সাহিত্যের ধরণ। পাল্টাবে সাহিত্যের প্রচলিত ধারণা। রবীন্দ্রনাথ বলছেন, ‘সাহিত্যবিচারের মাপকাঠি একটা সজীব পদার্থ। কালক্রমে সেটা বাড়ে এবং কমে, কৃশ হয় এবং স্থূল হয়েও থাকে। তার সেই নিত্যপরিবর্তমান পরিমানবৈচিত্র দিয়েই সে সাহিত্যকে বিচার করতে বাধ্য, আর-কোনো উপায় নেই।’ কখনো কখনো শিল্পকলা শিল্পিতকে ডিঙিয়ে নিজের স্বাতন্ত্রকেই মূখ্য করে তোলে। সাহিত্যের ক্ষেত্রেও একই মতামত চলে। একসময় সাহিত্যই ‘সাহিত্য’ হবে। সাহিত্যের ধারণা ও ধরণ নিয়ে প্রশ্ন তখন আর উঠবে না। ব্লগসাহিত্য এবং চিরায়ত সাহিত্য বলতে আলাদা কিছু থাকবে না। বুকার কিংবা সাহিত্যে নোবেল পাওয়া সাহিত্যিক হয়তো তখন হবেন কোন ব্লগার। নতুনের আগমনী আমাদের সংশয়ী মনকে ভয়কাতর করে তোলে। পুরাতন আঁকড়ে থাকা আমাদের জন্য ব্লগসাহিত্যকে চিরন্তন সাহিত্যের একটি ধারা হিসাবে মেনে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হওয়াই হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু তবুও নতুনের আগমন হবেই পৃথিবীর প্রাত্যহিক পরিক্রমায়। তার জন্য ছেড়ে দিতে হবে স্থান..এটাও স্বতঃসিদ্ধ অনিবার্য এক সত্য। সুকান্তের উক্তি দিয়ে শেষ করছি। ‘এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান…।’

{ রেজা নূর সাহিত্যের কাগজ অনুরণনের গত সংখ্যায় প্রকাশিত। }

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

* ছবির অক্ষরগুলো উপরের ঘরে লিখুন