শৈশবের শবে বরাতে গরম জিলাপির বিলাসিতা

শৈশবের শবে বরাত ও পকেটভর্তি গরম জিলাপির বিলাসিতা

শবে বরাত শব্দটির সাথে পরিচয় হয় শৈশবে। আমরা তখন চিটাগাংয়ের আবাস ছেড়ে গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জে চলে এসেছি। বাবার সরকারি চাকরীর বদলি হলো ঢাকাতে। গ্রামের পরিবেশ আমার কাছে মোটেও রোমান্টিক টাইপ মনে হয় নি। শহুরে আমি যেমন জীবনে অভ্যস্ত ছিলাম, গ্রামে জীবন তারচে অনেক আলাদা ছিলো। সবচে বেশি অবাক লাগতো, গ্রামে.

ডাযনোসর ইউসোরাস

ডায়নোসররাও কখনো কাঁদে এই মুমূর্ষু ‘নেক্রপলিসে’

আজকে আমার সামনের সিটে বসা ডায়নোসরকে কাঁদতে দেখেছি আমি। সকাল ৭:৩০ এর ভার্সিটি বাস। বিআরটিসি থেকে ভাড়ায় নিয়ে আসা আমাদের অনেকের প্রিয় লালরঙা দোতলা। মিরপুর থেকে জাবি। এই বাসে নিত্যদিন যাতায়াত আমার। সেখানে চোখেজল সহ বসে থাকা ডায়নোসর দেখে ভ্যাবচ্যাকা খাওয়াটা দোষের কিছু না নিশ্চয়ই!  অবাক কান্ড, তাই  না? ভীষণ অবাক হওয়ার.

বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখা দৃশ্যপট এবং এলিয়েন হতে থাকা একজনের গল্প

বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখা দৃশ্যপট এবং এলিয়েন হতে থাকা একজনের গল্প

# দৃশ্য এক একজন বাবা তার ছেলেকে কোলে নিয়ে ফুটপাত ধরে হেঁটে যাচ্ছেন। বাচ্চার বয়স  আনুমানিক ৩ বছর হবে। রাতের ঢাকা, ফুটপাতে মানুষের ভিড়, ভাঙাচোরা ড্রেনেজের জঞ্জাল ইত্যাদি কোন কিছুই তার কাছে বিরক্তি কিংবা লক্ষ্য করার বস্তু হতে পারছে না। লোকটি তার ছেলের সাথে কী যেনো কথা বলছেন। ছেলেটি প্রাণখুলে.

একটি দলছুট শালিকের বিষণ্ন দিনরাত্রি

একটি দলছুট শালিকের বিষণ্ন দিনরাত্রি

তখন আমরা গ্রামের বাড়িতে থাকি। বৃষ্টি হচ্ছে কয়েকদিন ধরে একটানা। চারপাশে কাদামাটি মাখামাখি। আমাদের টিনের ঘরের মাটির মেঝে স্যাতস্যাতে হয়ে আছে। দুপুরের ভাত খেতে খেতে আমি দেখছিলাম উঠোনে বসে থাকা মনোযোগী একদল শালিকের দিকে। ছোট্ট ছোট্ট উড়ান দিয়ে তারা মাটি থেকে খুঁটে খাচ্ছিলো কিছু। সম্ভবত পোকা-মাকড়ই হবে। আমি মায়ের কাছে.

’স্মার্ট’ এই নগরীতে একজন ’আনস্মার্ট’ আমি ও আমার ‘খ্যাতমার্কা’ আউটফিটের ফুটনোট

’স্মার্ট’ এই নগরীতে একজন ’আনস্মার্ট’ আমি ও আমার ‘খ্যাতমার্কা’ আউটফিটের ফুটনোট

# অগোছালো কোকড়া চুলের ‘খ্যাতমার্কা’ এই ছেলেটা এইখানে কেমনে আসলো! # দেখ, কেমন পাগলের মতো দেখাচ্ছে ওরে! # এই ছেলে! ভাইবা বোর্ডে কেউ  এই গেটআপে আসে! স্মার্টনেসও তো একটা শেখার বিষয়! অন্যদের এই ধরণের কথা ও ভাবনার সাথে আমার পরিচয় অনেক দিনের। নিজের পোশাক-আশাক, সাজগোজ, ধরণ-ধারণ যথেষ্ট রকমের ‘আউলা’ টাইপের।.

শৈশবের পিঠাবন্ধু উপকারী এক চিলের কাহিনী

আকাশের সুদূর উচ্চতায় ডানা মেলে উড়ে বেড়ায় একটি সোনালী ডানার চিল। চিটাগাং আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের এক ছোট্ট শিশু, রনির সাথে একদিন তার বন্ধুত্বটা হয়েই গেলো! দিনে দিনে সেই সম্পর্ক গিয়ে দাঁড়ালো লেনদেনের ঘনিষ্টতায়। রনি চিলটিকে কী দিতো, সেটা জানা যায় নি। কিন্তু, চিলটি রনিকে দৈনিক ৪ টি করে ময়দায় বানানো.