নির্ণিমেষ দৃষ্টির একজন বৃদ্ধ ও বারান্দার গ্রীলে জমাট নীরবতা

হঠাৎ মারা গেলেন আমার পাশের বাসার এক বৃদ্ধ। পরিবারের সদস্যদের হাহাকার-কান্নায় জানা গেলো সে খবর। আমি যে এলাকায় থাকি, সেটা অনেকটা গ্রাম। শহরতলী বললেই বোধহয় শব্দটা লাগসই হয়। এখানের চারপাশ, বাজার-ঘাট, মানুষ, রাত-দিন সবকিছুই শহুরে তাড়াহুড়ো মুক্ত এবং কিছুটা বেশি অর্গানিক! তাই, কারো মৃত্যুতে এখানে ভদ্রতার বাইরে গিয়ে হাউমাউ কেঁদে.

ভালোবাসা শব্দের অনুবাদ কিংবা অন্তরার জন্য অগোছালো প্যারাগ্রাফ

ভালোবাসি শব্দের সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় গ্রামের বাড়িতে। আমরা তখন সদ্য চিটাগাং থেকে বাড়িতে শিফট হয়েছি। বাবার সরকারী চাকরীর সুবাদে এমন জায়গাবদল আমার জন্মের পর এ’নিয়ে তিনবার হলো। একদিন স্কুল থেকে ফিরতে শুনলাম সবাই বলাবলি করছে, পাশের পাড়ার  বারেক কাকার মেয়ে ‘স্মৃতি’ , এসিড দিয়ে শরীর পুড়িয়ে ফেলেছে। কিছু.

দূর পাহাড়ের পথে চলেছেন নিঃসঙ্গ অভিযাত্রী!

“লাল পাহাড়ের দেশে যা রাঙ্গামটির দেশে যা ইত্থাক তুকে মানাইছে না রে ইক্কেবারে মানাইছে না রে..” কেনো ট্রেকিংয়ে আগ্রহী, সেটা এককথায় কিংবা একটি ইমেইলের কয়েকটি লাইনে বুঝিয়ে বলা সম্ভব নয় আমার পক্ষে। শৈশবে চিটাগাং ফায়ার সার্ভিসের কোয়ার্টারে থাকতাম তখন। কোয়ার্টার বিল্ডিংয়ের পাশে সুউচ্চ একটি টিলা ছিলো। প্রতিদিন বিকেলে আমরা ক’জন.

বাবার সবুজ ট্রাঙ্কভর্তি স্বপ্ন নিয়ে একদিন জাদুর শহরে আমি

ঢাকায় আমি পাকাপাকিভাবে বসবাস করতে আসি ২০০০ সালে। উদ্দেশ্য উন্নতমানের পড়াশোনা করে বাবা-মায়ের স্বপ্নপূরণ। ভবিষ্যতের কিছু একটা হয়ে তারপর ততোধিক সফল জীবন-যাপন। আমার ঢাকাযাত্রা উপলক্ষ্যে বাড়িতে তখন ব্যাপক তোড়-জোড় চলছে। গ্রামের স্কুল থেকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে আমাকে। এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াই সারাদিন..। কেউ কিচ্ছু বলে না। নাওয়া-খাওয়ার রুটিন গেছে ভেঙে।.

৫০ টাকা মাসিক হাতখরচের দিনগুলোতে মেয়নেজ মাখানো বার্গার

এ্যলিফেন্ট রোডের একটি মোটামুটি মানের ছাত্রাবাসে  তখন আমি। শৈশব পেরিয়ে সবে কৈশোরের দ্বারপ্রান্তে..। লিফট ছাড়া বিল্ডিংয়ের সাত তলায় থাকি। কাছেপিঠে কোন বাড়ি না থাকার সুবাদে চারপাশের অনেকটা জুড়ে দৃষ্টি চলে। নিত্যকার কাজকর্ম-পড়াশোনার ফাঁকে যেটুকু সময় পেতাম, তার অনেকটা অংশ কাটতো , গরাদআঁটা জানালার ভেতর দিয়ে মুক্ত আকাশ আর জাদুর শহর ঢাকার.

১০০ কি:মি: রাইড এবং একটি ক্রস কান্ট্রি রাইডের প্রস্তুতি

“হারিয়ে গিয়েছি, এইতো জরুরি খবর অবাক দুই চোখে, ছায়া কাঁপে ভয় অভিমানে হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই এখানে হারাবো বলে, পা টিপে এগুতে গেলে গোটা শহর বাতি জ্বেলে সতর্ক পায়ে পায়ে হারাবার জায়গা খুজে মরি গোটা শহর বাতি জ্বেলে সতর্ক পায়ে পায়ে হারাবার জায়গা খুজে মরি…” —–সাহানা বাজপেয়ী # হারানোর ইচ্ছেটা.