দ্যা ফ্লাইং ডাচম্যান, সমুদ্রের রহস্যময় জাহাজ

দ্যা ফ্লাইং ডাচম্যান (The Flying Dutchman) । পৃথিবীর সামুদ্রিক ইতিহাসের এক বিখ্যাত জাহাজের নাম। হাজার হাজার মাইল বিস্তৃত সাগরের পরিধি যেমন সীমাহীন। তেমনই সীমাহীন এর স্রোত আর ঢেউয়ের পরতে পরতে আটকে থাকা রহস্যের খতিয়ান ।  ফ্লাইং ডাচম্যান হচ্ছে সমুদ্রের এক অজানা রহস্যের নাম, কিংবদন্তির এক ভূতুড়ে জাহাজ। কখনো কোন বন্দরে নোঙ্গর ফেলে না এই জাহাজ। শুধু উত্তাল সমুদ্রেই দেখা মেলে পালতোলা এই সামুদ্রিক জলযানের।

 ভুতূড়ে জাহাজ নিয়ে যত লোককাহিনী প্রচলিত আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ফ্লাইং ডাচম্যান। এই লোককাহিনীটির উৎপত্তি মূলত ১৭-শতকের সামুদ্রিক লোকাচারবিদ্যা থেকে। প্রাচীন নথিপত্রে এই জাহাজটিকে ১৮-শতকের শেষের দিকের জাহাজ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে পশ্চিম আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ বা গুড হোপ অন্তরীপের উত্তাল জলরাশির মাঝে , প্রথম এই রহস্যময় যুদ্ধজাহাজ  ফ্লাইং ডাচম্যান -এর দেখা পাওয়া গিয়েছিল।  প্রচলিত রয়েছে, ১৯ ও বিংশ-শতকের দিকে সমুদ্রের মাঝে জাহাজটিতে ভূতুড়ে আলো দেখা যেত। ফ্লাইং ডাচম্যান যখন কোন জাহাজকে অতিক্রম করত তখন এর ক্রুরা বহুদূরের প্রেতাত্মা বা অশুভ শক্তিকে বার্তা পাঠাত। সামুদ্রিক কিংবদন্তি অনুসারে, অভিশপ্ত জাহাজটি ঝড়ের কবলে পরে সমুদ্রে হারিয়ে গিয়েছিল।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সাড়া বিশ্বে নাবিকদের মাঝে এই অভিশপ্ত ও ভৌতিক জাহাজটির কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। অনেক নাবিক মনে করেন, জাহাজটি ও তার ক্রুরা সকলেই অভিশপ্ত এবং ঈশ্বরের অভিশাপের কারণেই তারা কোনদিন নোঙ্গর করতে পারেন নি। কাহিনী অনুসারে, ফ্লাইং ডাচম্যান সমুদ্রে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘরে বেড়ায় এবং এটি যেমন সমুদ্রে হঠাৎ করেই অবির্ভাব হয় তেমনি হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যায়।

 কেউ বলে এগুলো সামুদ্রিক লোকগাঁথা। আবার অন্যরা বলেন, প্রতিটি লোকগাঁথার উৎসে কিছু সত্য ঘটনা থাকে। তাই ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজ সংক্রান্ত ঘটনাগুলো হেসে উড়িয়ে দেয়ার কোন কারণ নেই। অনেক নাবিকরা তাদের জীবন বাজি রেখে ফ্লাইং ডাচম্যানকে তাদের জাহাজের পাশ দিয়ে যেতে দেখেছেন বলে বর্ননা করেছেন।

লিখিত সংস্করণে ফ্লাইং ডাচম্যান সম্পর্কে প্রথম জানা যায় জর্জ বেরিংটন (১৭৫৫-১৮০৪) সংকলিত অ্য ভয়েজ টু বোটানি বে (১৭৯৫) (অ্য ভয়েজ টু নিউ সাউথ ওয়াল্‌স নামেও পরিচিত)-এর ষষ্ঠ অধ্যায়ে:

আমি প্রায়ই নাবিকদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন কাহিনীগুলো শুনতাম কিন্তু প্রতিবেদনগুলোতে কাউকেই খুব বেশি কৃতিত্ব নিতে দেখি নি; এটা মনে হচ্ছে যে, কয়েক বছর পূর্বে একজন ওলন্দাজ লোক যুদ্ধে কেপ অফ গুড হুপে হারিয়ে যান এবং জাহাজের ডেকের সকল নাবিকই অভিশপ্ত হয়ে যান। এসময় জাহাজটি মাঝ সমুদ্রে একটি ঝড়ের কবলে পরে এবং শীঘ্রই কেপ টাউনে এসে পৌঁছেন।

 পরবর্তীতে জাহাজটিকে সংস্কার করে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার জন্য প্রস্তুতি নেন কিন্তু একই অক্ষাংশে ভয়াল একটি ঝড়ে ফ্লাইং ডাচম্যান জর্জরিত হয়। একই রাতে কিছু লোক দেখেছিল অথবা দেখেছিল বলে কল্পনা করেছিল, একটি জাহাজ তাদের জন্য ঝড়ের মধ্যে যাত্রা করার উদ্দেশ্যে অপেক্ষা করছে। জাহাজটি যেমন হঠাৎ করেই উদয় হয়েছিল তেমনি হঠাৎ করেই উধাও হয়ে  গিয়েছিল। এরপর থেকে কাহিনীটি নাবিকদের মনে স্থান করে নিয়েছিল এবং যখন তারা নিজ নিজ দেশে ফিরে আসে তখন কাহিনীটি ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পরে এবং জাহাজটির নাম দেওয়া হয় ফ্লাইং ডাচম্যান বা উড়ন্ত ওলন্দাজ। সেসময়কার ওলন্দাজদের কাছ থেকে ইংরেজ নাবিক ও কিছু ভারতীয় নাবিকও মনে করেন জাহাজটির ডেকে তারা কিছু প্রেতাত্মা দেখেছেন।

এরপর থেকে কাহিনীটি নাবিকদের মনে স্থান করে নিয়েছিল এবং যখন তারা নিজ নিজ দেশে ফিরে আসে তখন কাহিনীটি ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পরে এবং জাহাজটির নাম দেওয়া হয় ফ্লাইং ডাচম্যান বা উড়ন্ত ওলন্দাজ।

সেসময়কার ওলন্দাজদের কাছ থেকে ইংরেজ নাবিক ও কিছু ভারতীয় নাবিকও মনে করেন জাহাজটির ডেকে তারা কিছু প্রেতাত্মা দেখেছেন।

জাহাজটি নিয়ে যেসব কাহিনী প্রচলিত রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলে, ১৭২৯ সালে একজন ফ্লাইং ডাচম্যান ১ নামে একটি ওলন্দাজ জাহাজ যার ক্যাপ্টেন ছিলেন হেনড্রিক ভ্যান্ডারডেকেন। জাহাজটি কেপ টাউনের দিকে যাচ্ছিল কিন্তু যাত্রা পথে ঝড়ের কবলে পরে কিন্তু জাহাজে ক্রুরা ভয় পাওয়া স্বত্বেও ক্যাপ্টেন হেনড্রিক জাহাজটি কেপ টাউনে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংকল্পবদ্ধ ছিলেন। এক পর্যায়ে নাবিকদের কিছু অংশ বিদ্রোহ কের কিন্তু ক্যাপ্টেন বিদ্রোহীদের ক্যাপ্টেনকে গুলি করে হত্যা করেন ও লাশ সাগরে ভাসিয়ে দেন। এরপর থেকে জাহাজটি সমুদ্রে চিরতরে হারিয়ে যায়।

জাহাজটাকে নিয়ে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটে ১৯৩৯ সালের মার্চে। দক্ষিণ আফ্রিকার গ্গ্নেনকেইন বিচে জড়ো হওয়া কিছু মানুষ অবাক হয়ে দেখে, সপ্তদশ শতাব্দীর একটা পালতোলা জাহাজ ধীরে ধীরে তাদের দিকেই এগিয়ে আসছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সমুদ্রতীরে আঘাত হানবে ওটা। সমুদ্রে একটু বাতাস না থাকলেও পাল ফুলিয়ে তরতর করে এগিয়ে আসছিল জাহাজটি। তীরে দাঁড়ানো মানুষ আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকল কী ঘটতে যাচ্ছে, তা দেখার জন্য। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিল পরের ঘটনাটি। যেভাবে হঠাৎ করে উদয় হয়েছিল ফ্লাইং ডাচম্যান নামের ভুতুড়ে জাহাজ, একইভাবে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়।

অপর কাহিনীমতে (রিচার্ড ওয়্যাগনার এর নাটক অবলম্বনে) ১৭২৯ সালে (১৬৮০ এর পরিবর্তে) ফ্লাইং ডাচম্যান এর ক্যাপ্টেনকে কোন কারণে অসন্তুষ্ট হয়ে শয়তান অভিসম্পাত করে যে এই জাহাজ নিয়ে ক্যাপ্টেন অনন্তকাল সমুদ্রে ভাসবে। তাঁর মুক্তির একমাত্র উপায় হচ্ছে কোন বিশ্বস্ত নারীর সত্যিকার ভালবাসা।

 তাই ধারণা করা হয় যে ফ্লাইং ডাচম্যান তার ক্যাপ্টেন সহ মাঝে মাঝে আবির্ভুত হয় সেই বিশ্বস্ত নারীর খোঁজে, মুক্তির আশায়। লোকমুখে শোনা যায় যে দ্য ফ্লাইং ডাচম্যানকে নাকি পরবর্তীতে ভূত-জাহাজ হিসেবে বেশ কয়েক বার সমুদ্রে দেখা যায়, বিশেষ করে ঝড়ের মধ্যে। ফ্লাইং ডাচম্যানকে স্বচক্ষে দেখেছেন বলে কেউ কেউ দাবিও করেছেন।

অন্য জাহাজের যাত্রীরা হাত নাড়লে, ফ্লাইং ডাচম্যানের যাত্রীরা নাকি তাদেরকে মৃত্যু সংক্রান্ত বার্তা পাঠানোর চেষ্টা করে!

জাহাজটি এর নিজের আকার আর ভেসে বেড়ানোর ধরণের জন্য যতটা না রহস্যময় ছিল, তার চেয়ে বেশি রহস্যময় ছিল জাহাজটির নেতৃত্বে যে ব্যক্তি ছিল তার কারণে। ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজের নেতৃত্বে যে ছিল তার নাম নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে অনেকের মতে এই লোকটির নাম হেনরিক ভ্যান ডার ডিকেন। হেনরিক তার জাহাজের কর্মীদের ব্যাপারে খুবই চিন্তা করতেন। কোন এক অশুভ দিনে ভয়াবহ ঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজটি ডুবে ধ্বংস হয়ে যায়।

সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত ফ্লাইং ডাচম্যান জাহাজটিকে ধ্বংস আর মৃত্যুর অগ্রদূত হিসেবে মনে করা হয়। বলা হয়, যে জাহাজই ফ্লাইং ডাচম্যানকে দেখেছে, সেই দুর্ভাগ্য আর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। বিভিন্ন নথি-পত্রে এ কথা অসংখ্যবার বলা হয়েছে যে, ফ্লাইং ডাচম্যানকে দেখে যে জাহাজগুলো ডুবে গিয়েছে, তাদের কাছে ফ্লাইং ডাচম্যানের কাছ থেকে চিঠি বা সংবাদ লিখিত পত্র পাঠানো হয়েছিল। হতভাগ্য জাহাজগুলোর ক্রুরা যখনই এই চিঠি বা সংবাদ বহনকারী কাগজ খুলে পড়া শুরু করতো, তখনই জাহাজগুলো ভয়াবহ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যেত আর সলিল সমাধি হত এগুলোর নাবিকদের।

সেই ১৬০০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বহু মানুষ বহুবার ফ্লাইং ডাচম্যানকে কেপ অব গুড হোপের সমুদ্রের বুকে ভেসে বেড়াতে দেখেছে। আর এগুলোর সবগুলোই দেখা গিয়েছে যখন আবহাওয়া প্রচণ্ড খারাপ ও সমুদ্র উত্তাল ছিল। সবশেষ, ১৯৪০ সালে এই ভূতুড়ে জাহাজ ফ্লাইং ডাচম্যানকে দেখা গিয়েছিল। যারা দেখেছেন তারা খুব নিখুঁতভাবে জাহাজটির বর্ণনা দেন। অথচ তাদের কারোরই ১৬শ শতকের জাহাজের নকশার ব্যপারে তেমন কোন ধারণাই ছিল না। যদিও অনেকের মতে, উত্তাল সমুদ্রের মাঝে দৃষ্টিবিভ্রাটের কারণে এই ভূতুড়ে জাহাজ ফ্লাইং ডাচম্যান দেখা যাবার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু তারা খুব জোর গলায় এর বিরোধিতাও করতে পারছে না।

১৮৩৫ সালের একটি ব্রিটিশ জাহাজের ক্যাপ্টেনের লগবুক রেকর্ড থেকে প্রথম জানা যায় এই ভুতুড়ে জাহাজের অস্তিত্বের কথা। লগবুকে লেখা ছিল যে তারা সমুদ্রের মাঝখানে ঝড়ের মধ্যে আবৃত একটি জাহাজ দেখতে পেয়েছিলেন যেটা সোজা তাদের জাহাজের দিকে ঝড়সহ এগিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে এত কাছে এসে পড়েছিল সেই ঝড়-আবৃত জাহাজটি যে তারা ভয় পেয়ে যান যে এখনই জাহাজ দুটিতে সংঘর্ষ হবে। কিন্তু হঠাৎ করেই ঝড়সহ ভুতুড়ে জাহাজটি গায়েব হয়ে যায়।

পরে ১৮৮১, ১৯১১, ১৯৩৯ ও ১৯৪২ সালে ফ্লাইং ডাচম্যানকে আরো অনেকেই দেখতে পান, সবাই একই বর্ণনা দেন জাহাজটির এবং সবাই বলেন যে জাহাজটি এক পর্যায়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। ফ্লাইং ডাচম্যানকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ১৯৪২ সালে কেপ টাউনের উপকূলে, নোঙর ফেলে দাঁড়িয়ে ছিল টেবিল বে তে এবং আকস্মিকভাবে জাহাজটি অদৃশ্য হয়ে যায় দর্শকদের চোখের সামনে।

আজো ফ্লাইং ডাচম্যানকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। আসলেই কি ঘটেছিল জাহাজটিতে তা সঠিকভাবে কেউ জানে না। আজো আফ্রিকার সমুদ্র উপকূলে অনেকে জাহাজ নিয়ে যেতে ভয় পায়। কারণ সবার ধারণা ফ্লাইং ডাচম্যান অশুভ প্রেতাত্মা বহন করছে, যার সন্নিকটে গেলে যে কোনো জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

লোকমুখে শোনা যায় যে ফ্লাইং ডাচম্যান যে সব অতৃপ্ত প্রেতাত্মা বহন করছে, তাদের আত্মা তখনই শান্তি পাবে যখন অন্য কোনো নাবিক তাদের স্থান ও দায়িত্ব নেবে। অনেক নাবিকরা মনে করেন যে ফ্লাইং ডাচম্যান সমুদ্রে কোনো অমঙ্গল বা ঝড় হওয়ার পূর্বে দেখা দেয় মানুষকে সতর্ক করার জন্য।

নোনাজলের এই মহাসমুদ্র,  অবিশ্বাস্য অগণিত রহস্য দিনের পর দিন জমা করে চলেছে  তার ভান্ডারে। কতোশত যুদ্ধ, পরাক্রমশালী যোদ্ধা-নাবিক, কতোহাজারো নৌবাহিনী আর ইতিহাসবিখ্যাত ফ্লীট তাদের সমস্ত অস্তিত্ব নিয়ে মুছে গেছে এই মহাসমুদ্রের রাশি রাশি জলকণার আধারে। সেই রহস্যের খোঁজ পাবার সাধ্য আমাদের কতোটুকু!

মানুষ আমি কতো ক্ষুদ্র, প্রকৃতির এই বিশালতার মাঝে কতোটা অপাংক্তেয়,  সমুদ্র আমাকে বারবার সেকথা মনে করিয়ে দেয়।

আমি চোখ বন্ধ করলে দেখতে পাই,  সোভিয়েত লেখক আলেকযান্দার  বেলায়েভ এর উভচর মানুষের সেই শিঙ্গে বাজানো দরিয়ার দানো, জল সপসপে হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তার একান্ত প্রিয়মানুষ, গুত্তিয়েরের অন্ধকার বাগানে। দেখতে পাই লোভী পেদ্রো জুরিতার চকচকে চোখের চাহনী। অনিন্দ্যসুন্দরী গুত্তিয়েরে আর হতভাগ্য ইকথিয়ান্ডারের  গল্পটা এই সমুদ্রকে ঘিরেই আবর্তিত হয়।

এমন অসংখ্য অমিমাংসিত লোকগাঁথা, গ্রামীণ রূপকথা, নাবিকদের লগবই, প্রচলিত গল্প, সুপ্রাচীন কিংবদন্তি আর বিস্ময় প্রতিনিয়ত জমা হচ্ছে অতলজলের এই সমুদ্রে..।  ফ্লাইং ডাচম্যানও তেমনই এক অমিমাংসিত রহস্য হয়ে থাকে আমাদের গল্পে আর রূপকথায়..। এই রহস্যের মিমাংসা কখনোই হয়তো হবার নয়..। কারণ,

সমুদ্র তার রহস্য কখনো কাউকে জানায় না।

————————–

তথ্যসূত্র:

১। উইকিপিডিয়া

২। ভানহুংক

৩। এসডিঅপেরা

৪। ব্লো.অর্গ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

* ছবির অক্ষরগুলো উপরের ঘরে লিখুন