কষ্টনীল প্রতিটি মুহুর্ত……….

নিঝুম প্রকৃতি। রাতের মধ্যপ্রহর। গভীর ঘুমে মগ্ন আমাদের কর্মব্যস্ত পৃথিবী। চারদিকে সুনসান নীরবতা। দূরের আকাশে ঝুলে আছে বিষন্নতায় কোমল আলো ছড়ানো একাকী একটি চাঁদ। মৃদুমন্দ বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়া শান্তির পরশ বুলিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। খুবই অদ্ভূত সুন্দর একটি মুহুর্ত। জনাকীর্ন এই শহরের অসংখ্য নাগরিক ডুবে আছে সুখ-স্বপ্নে। কোন বারান্দায় হয়তো.

আমি কার….আমি কার….কে কাহার কে জানে?

পৃথিবীটা কখনো মনে হয় উল্টো দিকে ঘুরে। এইতো সেদিন নিজেকে জগতের সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হচ্ছিল। আমার বন্ধু আমার জন্য ছোট্ট একটুকরো ভালোবাসা এনে দিয়ে বলেছিল এটা আপনার জন্য। আনন্দে আমার অনুভূতির গভীরতম অঞ্চলটুকুও আলোড়িত হতে গিয়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। এত আনন্দ আমি কোথায় রাখব ভেবেই পাচ্ছিলাম না। আমার বিশ্বাস.

রাত্রির নিঃশব্দ কোলাহল……..।

বন্ধু, তুমি আমায় একটু ভালোবাসবে? হাতে হাত রেখে শোনাবে আমায় কখনো কোন ভালোবাসার কবিতা? কোন অঝোর শ্রাবনে ভিজবে আমায় সাথে করে?কোন ভরা পূর্ণিমা রাতে বারান্দায় বসে দেখা হবে জোৎস্নার টুপটাপ ঝরে পড়া? আমি অপেক্ষায় থাকি। বয়ে যেতে থাকে সময়ের অক্লান্ত পরিক্রমা। স্বপ্নগুলো ধীর পায়ে হেঁটে যায় ধূসর কোন প্রানহীন প্রান্তরে।.

কোন এক বিষন্ন সন্ধ্যায়………

সন্ধ্যা নামছে ধীর পায়ে। পাখিরা ফিরছে আপন নীড়ে। গ্রামের পথে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছে রাখাল ছেলেটা। দূর দিগন্তে রক্তিম আভা ছড়িয়ে অস্ত যাচ্ছে আমাদের অতিচেনা প্রতিদিনের সূর্য। অসংখ্য ঝিঁ-ঝিঁ ঝিম ধরানো স্বরে একটানা ডেকে যাচ্ছে। বাড়ি ফিরব বলে উঠে দাড়াই। কিন্তু আমার আর বাড়ি ফেরা হয়ে উঠে না। পৃথিবীটা এমন.

দূরের আকাশ………।

আকাশের ওপারেও নাকি আকাশ আছে। প্রতিটি মানুষের ভিতরে একটি করে মানুষ ঘুমিয়ে আছে। শান্তির খোঁজে গলদঘর্ম আমরা। কিন্তু শান্তি বলতে আদৌ কিছু আছে?নাকি সবই ভ্রম? একটু ভালো থাকার আশায় আমরা কত কি করি। কিন্ত ঠিক কতটা ভালো থাকি? আমায় প্রশ্ন করে নীল ধ্রুবতারা, আর কতকাল আমি রব দিশেহারা রব দিশেহারা…….

কোন কোন মুহুর্ত স্বপ্নের মত

আমার আকাশের নাম দিয়েছি বনলতা সেন। গতকাল ওর সাথে কথা হয়েছে। আমি কখনো কখনো আমার নিজেকেই ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। স্বপ্ন আর বাস্তবের ফাকিবাজী বুঝতে বড় দেরি হয়ে যায়। ভালোবেসে যে সামান্য দেয় তারে দিও তুমি শতগুনে। বন্ধু সে তোমার অতি প্রিয় সে একথা বলো ভালো মনে।