সুখ-সন্ধানী এক ক্লান্ত পথিক…।

সুখের সন্ধানে অবিরাম হেঁটে চলা আমি এক ক্লান্ত-পথিক। কখনো কখনো আমার ভালো থাকাকে আমার নিজেরই হিংসে হয়। কিন্তু আমি সুনিশ্চিত জানি, এটা আসলে সুখ নয়। মহাকালের কোন অজানা জগত থেকে ছিটকে পড়া কোন স্বপ্নময় মুহুর্ত। আমার ননীর পুতুলটা আমার অনেক কাছে থাকে। সারাটা সময় ধরে আমায় বেঁচে থাকতে শেখায়। কত.

বন্ধুর পথে বন্ধু হয়ে………।

বৃষ্টির টাপুর-টুপুর ঝরে পরা দেখছি বারান্দায় বসে। ইট-কাঠের কর্মব্যস্ত এই শহরে, স্বল্প টাকার ছোট্ট একটা পায়রার খোঁপে, বাস করি আকাশছোঁয়া স্বপ্ন বুকে নিয়ে। কত কি ভাবি আপন মনে! শহুরে কোলাহল ছাড়িয়ে বহু দূরের এক গাঁয়ে,একজন মমতাময়ি অধীর অপেক্ষায় থাকেন আমার ফিরে যাবার। সভ্য সমাজের স্বীকৃতি আর জীবনের প্রয়োজনে পড়ে আছি,.

অনন্ত অন্ধকারে ক্লান্ত কেউ একজন………।

রাত অনেক। তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের নিয়ে জলযান কীর্তনখোলা। হঠাৎ কোথাও বেড়িয়ে পড়ার অনুভূতিটা একেবারেই অন্যরকম। শান্তির খোঁজে অনেক পথ পাড়ি দিয়েছি, এমনি করেই, একেবারে একা। চারদিকে ”অকূল-দরিয়া”। আকাশে জেগে থেকে আমাদের সঙ্গী হয়ে ভেসে চলেছে ভয়ানক একা একটি চাঁদ। রূপালী আলোয় ভিজছে ঘুমন্ত এই পৃথিবী। আমি দাঁড়িয়ে দেখছি।.

হাতটি তোমার ধরতে মানা……….।

বৃষ্টি ঝরছে অঝোরধারায়। টিনের চালে তার রিমঝিম শব্দে অদ্ভুত বিষন্নতা এসে ভর করে। আকাশে মেঘ করলে আমার বন্ধুটি খুব ভয় পায়। আমার তখন ইচ্ছে হয়, ওর হাত জড়িয়ে রাখি আমার হাতে। কিন্তু……..। আমি বৃষ্টিতে ভিজি। বৃষ্টিতে ডিজতে আমার খুব ভালো লাগে। আকাশের গাঁয়ে হয়ত অনেক দুঃখ। নাহয় এমন অবিশ্রান্ত বর্ষনে.

ভালো থাকতে হবে যে!

”বন্ধু এসো স্বপ্ন আঁকি চারটা দেয়াল জুড়ে বন্ধু এসো আকাশ দেখি পুরোটা চোখ খুলে বন্ধু এসো জলে ভাসি দুখ ভাসানো সুখ” বন্ধু, তুমি খুব করে চাও, যেন আমি ভালো থাকি। কিন্তু বুঝতে পার কি আমার হৃদয়ের না বলা শত কথার অবিশ্রান্ত হাহাকার। তুমি জানো কি, আমার প্রতিটি মুহুর্ত কাটে তোমার.

বন্ধু তোমার তোমার চোখের মাঝে……..।

বন্ধু তোমার তোমার চোখের মাঝে বন্ধু তোমার তোমার চোখের মাঝে চিন্তা খেলা করে বন্ধু তোমার কপাল জুড়ে চিন্তা লোকের ছায়া বন্ধু তোমার নাকের ভাঁজে চিন্তা নামের কায়া বন্ধু আমার মন ভাল নেই, তোমার কি মন ভাল বন্ধু তুমি একটু হেসো, একটু কথা বলো বন্ধু আমার বন্ধু তুমি, বন্ধু মোরা ক’জন.