কোন এক বিষন্ন সন্ধ্যায়………

সন্ধ্যা নামছে ধীর পায়ে। পাখিরা ফিরছে আপন নীড়ে। গ্রামের পথে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছে রাখাল ছেলেটা। দূর দিগন্তে রক্তিম আভা ছড়িয়ে অস্ত যাচ্ছে আমাদের অতিচেনা প্রতিদিনের সূর্য। অসংখ্য ঝিঁ-ঝিঁ ঝিম ধরানো স্বরে একটানা ডেকে যাচ্ছে। বাড়ি ফিরব বলে উঠে দাড়াই। কিন্তু আমার আর বাড়ি ফেরা হয়ে উঠে না। পৃথিবীটা এমন.

দূরের আকাশ………।

আকাশের ওপারেও নাকি আকাশ আছে। প্রতিটি মানুষের ভিতরে একটি করে মানুষ ঘুমিয়ে আছে। শান্তির খোঁজে গলদঘর্ম আমরা। কিন্তু শান্তি বলতে আদৌ কিছু আছে?নাকি সবই ভ্রম? একটু ভালো থাকার আশায় আমরা কত কি করি। কিন্ত ঠিক কতটা ভালো থাকি? আমায় প্রশ্ন করে নীল ধ্রুবতারা, আর কতকাল আমি রব দিশেহারা রব দিশেহারা…….

কোন কোন মুহুর্ত স্বপ্নের মত

আমার আকাশের নাম দিয়েছি বনলতা সেন। গতকাল ওর সাথে কথা হয়েছে। আমি কখনো কখনো আমার নিজেকেই ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। স্বপ্ন আর বাস্তবের ফাকিবাজী বুঝতে বড় দেরি হয়ে যায়। ভালোবেসে যে সামান্য দেয় তারে দিও তুমি শতগুনে। বন্ধু সে তোমার অতি প্রিয় সে একথা বলো ভালো মনে।

অনুবাদ-অক্ষম একাকীত্ব এবং আমি…….।

আমার পৃথিবী জুড়ে কেবলি স্বপ্ন ভঙ্গের শব্দ। পথ হাটছি অবিরাম……… শুধু হেটেই চলেছি…..। প্রচন্ড ক্লান্তি এসে ভর করে। থেমে যেতে চায় আমার অনিশ্চিত পদযাত্রা। তারপরও আমি হেটে চলি বন্ধুহীন, ভালোবাসাহীন। বন্ধু, আমার কথা ভেবে কখনো কি তুমি আনমনা হও? কোন জোৎস্না ভেজা রাতে মনে পড়ে কি আমার কথা?   ভালোবাসা.

এপিটাফের কাব্য…।

পথিক বন্ধু, একদন্ড যাত্রাবিরতী কর…. নিজের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা নিজেকে প্রশ্ন কর… কে তুমি ? কোথায় তোমার আপনার জন ? কিসের মায়ায় অচিনপুরে চলছ তুমি মন……। বন্ধু, ভালো থেকো তোমরা সারাটা সময়….

আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল…….

আচ্ছা, জীবনটা এমন কেন? এক মুহুর্তের জন্য কি সুখ-পাখিটার সন্ধান পাওয়া আমার হবে না?আকাশে প্রতি সন্ধায় একটা প্রশ্নবোধক তারার দেখা পাই। কত হাজার উত্তর না জানা প্রশ্ন জমে উঠতে থাকে।ক্রমেই আমি ডুবে যেতে থাকি গভীর বিষাদে।কাটতে থাকে বিষন্ন প্রতিটি দিন…….